অনলাইন ডেস্ক :


নয়াদিল্লি থেকে: বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের মধ্যদিয়েই দক্ষিণ এশিয়াকে প্রতিযোগিতাসক্ষম অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠতে হবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, এ ক্ষেত্রে আমাদের তরুণদের আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা অবশ্যই বিবেচনায় নিতে হবে।
তিনি বলেন, দক্ষিণ এশিয়ায় আমাদের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও বিনিয়োগের মাধ্যমে অন্যদের হাত ধরতে হবে। ভ্রান্ত ধারণা থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে। দক্ষিণ এশিয়াকে প্রতিযোগিতাসক্ষম অঞ্চল হিসেবে গড়ে উঠতে হবে, যা অন্য অঞ্চলের সঙ্গে সেতুবন্ধনে সদা প্রস্তুত থাকবে।

শুক্রবার (০৪ অক্টোবর) নয়াদিল্লির হোটেল তাজ প্যালেসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের ইন্ডিয়া ইকোনমিক সামিটের সমাপনী অধিবেশনের বক্তব্যে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আসুন আমরা আমাদের জনগণের স্বার্থে আঞ্চলিক রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারসাম্য আনি। স্বল্পমেয়াদী লাভের জন্য আমরা দীর্ঘমেয়াদী স্বার্থ বিসর্জন দিতে পারি না।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি, ভারত ও মিয়ানমারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সমুদ্রসীমা নিয়ে বিরোধ নিষ্পত্তির কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, অভিন্ন নদীর প্রবাহমানতা নিয়ে ভারত ও বাংলাদেশ এখন কাজ করছে। আন্তঃদেশীয় গ্রিড সংযোগের মাধ্যমে ভারত থেকে বিদ্যুৎ কেনা হচ্ছে।

এছাড়া সমাপনী অধিবেশনে বক্তব্য দেন ওয়ার্ল্ড ইকোনোমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট বোর্জ বেন্ডে। প্যানেলিস্ট হিসেবে বুকিং ডটকম প্রধান জিলিয়ান ট্যানস, সিঙ্গাপুরের উপপ্রধানমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী হ্যাং সুই কিট, সেকোইয়া ক্যাপিটাল ইন্ডিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক শৈলেন্দ্র সিং ও অ্যাপোলো হসপিটাল এন্টারপ্রাইজ এক্সিকিউটিভ ভাইস-চেয়ারম্যান শোভানা কামেনিনি।

** ৪ বিলিয়ন লোকের বাজার ধরতে বাংলাদেশ থেকে ব্যবসা করুন

বাংলাদেশ সময়: ০২৪০ ঘণ্টা, অক্টোবর ০৫, ২০১৯

বাংলাপোস্ট২৪ /জামিল