একজন কবি খুন হয়েছেন কিছুক্ষণ পূর্বে।
সুর্য ডুবে ডুবে এই বিষন্ন অ-বেলায়,
আট তলার বারান্দায় বারান্দায় বসে খুব আয়েস করে-
চা খাচ্ছিলেন তিনি বিস্কুটে চুবিয়ে চুবিযে।
হঠাৎ একটি কাক এসে বসলো খোলা বারান্দার গ্রীলে।

উনার দিকে তাকিয়েছিলো কাকটি কিছুক্ষণ।
চা খাওয়া দেখলো খুব কৌতুহল নিয়ে।
উনি দয়া করে একটি বিস্কুট ছুঁড়ে দিলেন কাক’টির দিকে।
ছুঁয়েও দেখলোনা কাকটি বিস্কুটটি।
উনার মনে হলো কাকটি উনার দিকে তাকিয়ে একটি বিদ্রুপের হাসি দিলো!!
তারপর আবার হঠাৎ করেই আকাশে উড়তে লাগলো।

আস্তে আস্তে কাকটি একটা কালো বিন্দু হয়ে গেলো আকাশে।
আচমকা কবির ভিতরে কাকের মতো উড়তে ইচ্ছে জাগলো।
কবি তখনই মনে মনে উড়তে শুরু করলেন
কাক’টির পাশাপাশি।

তারপর থেকে কবি আর কখনোই মানুষ হতে পারেননি।
বারান্দায় শুধু একটি মানুষের দেহ পড়ে আছে অনন্তকাল ধরে।
আর কবি একটি কাক হয়ে রাতের আকাশে এখনো
-উড়ছেন আর উড়ছেন।
———————————————
কবি রশিদ হারুন
২৬/০৩/২০২০